সরোবর ও সবুজ উদ্যোগের পণ্যের মূল্য তালিকা
সরোবর ও সবুজ উদ্যোগের পণ্যের মূল্য তালিকাঃ
Blackseed Powder কালোজিরা গুঁড়া 100g - ১৫০ টাকা
আয়িশা (রাঃ) আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছেনঃ এই কালোজিরা ‘সাম’ ব্যতিত সকল রোগের ঔষধ। আমি বললামঃ সাম- কি? তিনি বললেনঃ সাম- অর্থ মৃত্যু।
[ বুখারী শরীফঃ হাদিস নম্বর- ৫২৮৫ ]
এই হাদিসই কালোজিরার উপকারী দিক সম্পর্কে যথেষ্ট ইশারা দেয়। কারন কালোজিরাতে আছে প্রচুর পরিমানে ঔষধি গুনাগুণ। ওজন বা উচ্চ রক্তচাপ কমানো, ডায়েবেটিস নিয়ন্ত্রন ইত্যাদি নানা সমস্যায় কালোজিরা কার্যকরী। শরীরের রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে কালোজিরা অদ্বিতীয়।
আসল-এর ১০০ গ্রাম কালোজিরা গুঁড়াতে কি পরিমাণ পুষ্টিগুণ থাকে?
- ক্যালোরি ৩৪৫
- চর্বি ১৫ গ্রাম
- কোলেস্টেরল নেই
- সোডিয়াম ৮৮ মিলিগ্রাম
- পটাশিয়াম ১৬৯৪ মিলিগ্রাম
- কার্বোহাইড্রেট ৫২ গ্রাম
- প্রোটিন ১৬ গ্রাম
- ভিটামিন সি, বি-৬ সি, বি-৬
খাবার নিয়ম: আপনি চাইলে মধু বা চায়ের সাথে মিশিয়ে প্রতিদিন ৩ বার খেতে পারেন। তিন বারই যে খেতে হবে এমন কোনো কথা নেই। আপনি চাইলে তরকারির সাথে মিশিয়েও খেতে পারেন।
আয়ুর্বেদ শাস্ত্রে ত্রিফলা গুড়ার কদর সুবিদিত। গুনাগুণের জন্যই লোকমুখে ত্রিফলার গুঁড়ার এতো সুপরিচিতি।
তিনটি ফলকে (আমলকি, হরিতকি এবং বহেরা ) শুকিয়ে, গুঁড়ো করে, একসঙ্গে মিলিয়ে যে শক্তিশালী মিশ্রনটি তৈরি করা হয় বলে আযুর্বেদ শাস্ত্রে ত্রিফলা নামে ডাকা হয়ে থাকে।
ত্রিফলার অনেক উপকারিতা মধ্যে অন্যতম হলো:
- ত্রিফলা হজম শক্তি বাড়াতে সাহায্য করে।
- চোখের দৃষ্টি শক্তি উন্নত করে।
- ওজন ও অতিরিক্ত মেদ কমায়।
- কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে।
- রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখে
- রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।
- চুলের গোড়াকে শক্ত করে, চুল লম্বা করে এবং চুলের খুশকি দূর কর
সজনে পাতায় লেবুর চেয়ে ভিটামিন সি রয়েছে প্রায় ৭ গুণ বেশি।
সবজি হিসেবে অনেকের পছন্দের খাবার হলেও সজনে পাতার গুণাগুণ সম্পর্কে অনেকের জানা নেই।
- শ্বাসকষ্ট, মাথা ধরা ও মাইগ্রেনের সমস্যা কমায়।
- রক্তে সুগার লেভেল নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ করে।
- চুলপড়া রোগে কার্যকর ভূমিকা রাখে।
- আর্থ্রাইটিস রোগের চিকিৎসায় সহায়ক।
- শরীরের পুষ্টিচাহিদা পূরণ করতে দারুণ উপযোগী।
সোনাপাতা বীরুৎ জাতীয় পাতা। দেখতে অনেকটা মেহেদি পাতার মতো হলেও হালকা বুনো গন্ধ আছে। পাতার রং কাঁচা অবস্থায় হলুদাভ সবুজ এবং শুকানো হলে হলুদাভ সোনালি বর্ণ হয়। চমৎকার ভেষজ গুণাবলির জন্য এই পাতা বেশ সমাদৃত।
সোনাপাতা (Senna Leaf) গুঁড়ার পুষ্টিগুণঃ
- এ পাতা খানিকটা পিচ্ছিল হওয়ায় মানবদেহের বৃহদন্ত্রে পানি ও ইলেকট্রোলাইট শোষন বাধাপ্রাপ্ত হয়। ফলে অন্ত্রের উপাদানগুলোর ভলিউম চাপ বৃদ্ধি করে ও কোলনের সঞ্চালন উদ্দীপ্ত করে। এ কারণে সোনাপাতাকে কোষ্ঠ্যকাঠিন্য রোগের মহৌষধ বলা হয়।
- এনথ্রানয়েড নামের উপাদান থাকায় সোনাপাতা হজমে সহায়ক।
- গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা দূর করে।
- ওজন কমাতে এবং রুচিবৃদ্ধি ও কৃমিনাশক হিসেবে কাজ করে।
- অর্শ রোগের প্রতিরোধক ও প্রতিষেধক হিসবে কাজ করে।
- ত্বকের চিকিৎসায় সোনাপাতা কার্যকরী।
‘আসল’ সোনা পাতার গুঁড়ার বিশেষত্বঃ
- শতভাগ খাঁটি ও নিরাপদ।
- সঠিকভাবে রাখলে করলে ৩ বছর পর্যন্ত সংরক্ষণ করতে পারবেন।
- নিজস্ব তত্ত্বাবধানে সংগৃহীত ও প্যাকেজাত করা।
চমৎকার ভেষজ গুণসম্পন্ন সোনাপাতার গুঁড়া অধিক সেবনে কিছু পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া লক্ষনীয়। তাই অতিরিক্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে অবশ্যই সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে।
ওজন বেড়ে যাওয়া, চুল পড়া, যৌনশক্তি হ্রাস, ত্বক নষ্ট হওয়া, অনিয়ন্ত্রিত ডায়বেটিস ইত্যাদি সমস্যায় অত্যন্ত কার্যকরী এক প্রাকৃতিক প্রতিকার মেথি গুঁড়া।
- মেথি আপনার যৌন শক্তি বাড়িয়ে তারুণ্য ধরে রাখতে সাহায্য করে।
- বার্ধক্যকে দূরে ঠেলে দিয়ে তারুণ্যকে আরো দীর্ঘস্থায়ী করে।
- ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রনে খুব ভালো ভুমিকা পালন করে।
- চুল পড়া বন্ধ করতে অত্যন্ত ফলপ্রদ।
খাবার নিয়ম:
প্রতিদিন সকালে ১ গ্লাস গরম পানিতে কিছু মেথি ১০-২০ মিনিট ভিজেয়ে রাখুন এবং সেই পানি পান করুন। তরকারি, চা, কফি বা পানিতে মিশিয়েও মেথি গুঁড়া খেতে পারেন ।
খাবারের স্বাদ বাড়াতে টমেটো সসের তুলনা কেবল টমেটো সস নিজেই।
স্বাদের বাইরে টমেটো সসে কিছু গুণাগুণ রয়েছে। যেমনঃ
- টমেটো সসে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এ থাকে। শুধু চোখের জন্যই নয়, চামড়া, হাড় ও দাঁতের গঠনেও ভিটামিন এ খুব দরকারী।
- প্রতিদিন এক টেবিল চামচ টমেটো সস খেলে চর্বি ০.১ গ্রাম কমে আসে।
- টমেটো সসে শর্করার পরিমাণ অত্যন্ত কম। প্রত্যেকবার খাওয়ার সময় ৪ গ্রামেরও কম শর্করা পাওয়া যায়। ডায়েটে শর্করার মাত্রা কম রাখতে টমেটো সস রাখতে পারেন।
- জন্ডিস প্রতিরোধের টমেটো সস ভূমিকা রাখে।
খুব অল্প সময়ের মধ্যে ক্রেতাদের আস্থা অর্জন করেছে ‘রেমেডি জুস’।
সুস্থ হার্ট তথা সুস্থ জীবনের জন্য সম্পূর্ন প্রাকৃতিক প্রতিকার বলে অনেকেই নিত্যদিনের ভরসার পণ্য হিসেবে ব্যবহার করছেন সবুজ উদ্যোগ-এর এই জুস। রেমেডি জুস শরীর থেকে বিষাক্ত বর্জ্য অপসারণে এবং অপরিহার্য ভিটামিন, খনিজ, এনজাইম ও এ্যামিনো এ্যাসিডের অভাব পূরণে সহায়তা করে।
কোনো কৃত্রিম রং, সুগন্ধি বা কেমিক্যাল মেশানো হয় না বলে রেমেডি জুস খেতে পারেন একদম নিশ্চিন্তে।
রেমিডি জুস আমাদের সুস্থ হার্ট তথা সুস্থ জীবনের জন্য একটি প্রাকৃতিক প্রতিকার। এতে কোন কৃত্রিম রং, সুগন্ধি বা কেমিক্যাল মেশানো হয় না। এটি একটি প্রাকৃতিক বিকল্প যা শরীর থেকে বিষাক্ত বর্জ্য অপসারণ এবং অপরিহার্য ভিটামিন, খনিজ, এনজাইম ও অ্যামিনো অ্যাসিডের অভাব পূরণে সহায়তা করে।
সেবন প্রণালী:
প্রতিদিন সকালে খালি পেটে ১/২ চা চামচ সরাসরি বা কুসুম গরম পানির সঙ্গে মিশিয়ে সেবন করুন। খাওয়ার পূর্বে ভাল করে বোতলের মিশ্রনটি ঝাকিয়ে নিন।
উৎপাদনের তারিখ হতে ৪ মাস পর্যন্ত এবং বোতল খোলার ১.৫ মাসের মধ্যে সেবন করতে হবে।
উপাদানঃ
- মধু ( ৪৪.৪৩% )
- অ্যাপেল সিডার ভিনেগার (১৮.৫২% )
- রসুন ( ১২.৩৫% )
- আদা ( ১২.৩৫% )
- লেবুর রস ( ১২.৩৫% )
সতর্কতা:
সাধারণ অবস্থায় রেমেডি জুসের কোন পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়া নেই। স্বাদ টকমিষ্টি ও ঝাঝালো বলে কারও ক্ষেত্রে বমি বমি ভাব বা গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা হতে পারে। সেক্ষেত্রে কুসুম গরম পানির সঙ্গে মিশিয়ে খেলে ভালো ফল পাওয়া যাবে। ডায়াবেটিসের ধরণ অনুযায়ী ডাক্তারের পরামর্শে সেব্য।
বি: দ্র: রেমেডি জুস হৃদরোগের কোন ঔষধ নয় বরং একটি প্রাকৃতিক সমাধান। জরুরী হৃদরোগের চিকিৎসায় ডাক্তারের পরামর্শ নিতে আমরা সুপারিশ করি।
No comments
Post a Comment